মাস শেষে কে দিল, কে দিল না — এই হিসাব মেলাতে আর রাত জাগতে হবে না। ছোট কয়েকটি অভ্যাসেই বকেয়া কমে আসে।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ কোচিং সেন্টারের সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা পড়ানো নয় — মাসিক ফি আদায়। খাতায় লেখা হিসাব হারিয়ে যায়, কেউ বিকাশে পাঠিয়ে ভুলে যায় জানাতে, আর মাস শেষে বকেয়ার তালিকা মেলাতে গিয়ে সময় নষ্ট হয়। নিচের পাঁচটি উপায় আমাদের দেখা সবচেয়ে কাজের।
১. মাসের শুরুতেই সবার ফি তৈরি করে রাখুন
মাসের ১ তারিখে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর নামে সেই মাসের ফি “বকেয়া” হিসেবে তুলে রাখুন। তাহলে কে বাকি আছে তা আলাদা করে খুঁজতে হয় না — তালিকাটাই বলে দেয়।
২. প্রতিটি টাকার রসিদ দিন
রসিদ নম্বরসহ ছোট একটা SMS রসিদ অভিভাবকের আস্থা বাড়ায় এবং পরে “আমি তো দিয়েছিলাম” ধরনের তর্ক এড়ায়।
৩. বিকাশ-নগদ আর ক্যাশ — এক জায়গায় লিখুন
কোন পদ্ধতিতে টাকা এলো তা আলাদা খাতায় না রেখে একই তালিকায় পদ্ধতি উল্লেখ করে রাখুন। মাস শেষে কোন মাধ্যমে কত এলো সেটাও সহজে দেখা যায়।
৪. আংশিক পরিশোধ মেনে নিন, কিন্তু হিসাব রাখুন
অনেক পরিবার একবারে পুরো টাকা দিতে পারে না। আংশিক পরিশোধ নিন, তবে বাকি কত রইল তা সঙ্গে সঙ্গে লিখে রাখুন।
৫. ভদ্রভাবে, নির্দিষ্ট দিনে মনে করিয়ে দিন
প্রতি মাসের একটি নির্দিষ্ট তারিখে বকেয়াদের অভিভাবককে নাম ধরে ছোট একটি SMS পাঠান। নিয়মিত ও ভদ্র অনুস্মারকই সবচেয়ে বেশি কাজ করে।
লেখাটা কাজে লাগলে শিক্ষা ১৪ দিন ফ্রি চালিয়ে দেখুন।
ফ্রি শুরু করুন